সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩
সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩

শেখ হাসিনা ও কামালের মৃত্যুদণ্ড,মামুনের ৫ বছরের কারাদণ্ড

নিজেস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২৫, ৪:৫০ অপরাহ্ন
শেখ হাসিনা ও কামালের মৃত্যুদণ্ড,মামুনের ৫ বছরের কারাদণ্ড
১০০

নিজেস্ব প্রতিবেদক : জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে দেশের মধ্যে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

এ ছাড়া দোষ স্বীকার করে রাজসাক্ষী হয়ে ট্রাইব্যুনালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়া সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে ৫ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১৭ নভেম্বর) বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে ট্রাইব্যুনাল বলেছেন, শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির অপরাধ প্রমাণিত। দুটি অভিযোগে শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একটি অভিযোগে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অ্যাপ্রুভার (রাজসাক্ষী) হওয়ায় পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রায় ঘোষণার সময় আদালতে আইনজীবীরা ছাড়াও জুলাই আগস্টে নিহতদের কয়েকজনের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল পুনর্গঠন করা হয়। পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে প্রথম মামলা হয় শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে।

পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালের বিচারকাজ শুরু হয় গত বছরের ১৭ অক্টোবর। সেদিনই এ মামলায় শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন ট্রাইব্যুনাল।

মামলায় শেখ হাসিনার সঙ্গে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল-মামুনও আসামি। তাদের মধ্যে মামুন দায় স্বীকার করে রাজসাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন।

তিন আসামির বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের পাঁচটি অভিযোগ আনে প্রসিকিউশন। এর মধ্যে রয়েছে উসকানি, মারণাস্ত্র ব্যবহার, আবু সাঈদ হত্যা, চানখারপুলে হত্যা ও আশুলিয়ায় লাশ পোড়ানো।

এ মামলায় ৮৪ সাক্ষীর মধ্যে সাক্ষ্য দিয়েছেন ৫৪ জন। সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয় চলতি বছরের ৩ আগস্ট। প্রথম সাক্ষী হিসেবে ট্রাইব্যুনালে জুলাই-আগস্টের বীভৎসতার চিত্র তুলে ধরেন খোকন চন্দ্র বর্মণ। গত ৮ অক্টোবর মূল তদন্ত কর্মকর্তা মো.আলমগীরের জেরার মাধ্যমে শেষ হয় সাক্ষ্যগ্রহণের ধাপ।

এরপর গত ২৩ অক্টোবর প্রসিকিউশন ও স্টেট ডিফেন্স আইনজীবীদের যুক্তিতর্ক শেষে রায়ের তারিখ নির্ধারণের জন্য ১৩ নভেম্বর দিন রাখা হয়। এদিন রায় ঘোষণার জন্য ১৭ নভেম্বর দিন ঠিক করা হয়।

স্বৈরাচার আর রাজাকার মিলে মিশে হয়ে গেছে একাকার- আবুল কাউছার

বাংলাদেশ বার্তা প্রতিদিন ডেক্স : প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৫৪ পূর্বাহ্ন
স্বৈরাচার আর রাজাকার মিলে মিশে হয়ে গেছে একাকার- আবুল কাউছার

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{"square_fit":1},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":true,"containsFTESticker":false}

নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আবুল কাউসার আশা বলেছেন,দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য সন্ত্রাস নৈরাজ্যে সৃষ্টি করা হচ্ছে। দেশের মধ্যে এই অরাজকতা মুক্ত করতে আমরা তারেক রহমানের নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ আছি। আপনারা সবাই জানেন একটি দল নিষিদ্ধ তারা চেষ্টা করছে দেশকে অস্থিতিশীল করতে। ঠিক আরেকটি দল সংসদে বসে ইনিয়ে বিনিয়ে তারাও কিন্তু চেষ্টা করছে এই দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য। বর্তমানে এমন প্রেক্ষাপটে দেখে মনে হচ্ছে, স্বৈরাচার আর রাজাকার মিলে মিশে হয়ে গেছে একাকার।
এবার এদের বিরুদ্ধে জাতীয়তাবাদী বিশ্বাসী ভ্যানগার্ডডের দায়িত্ব পালন করতে হবে। শুধু মিছিল করলে হবে না পাড়া মহল্লায় বিশৃঙ্খলা রোধে অবস্থান নিতে হবে। তারা বলেছে ডিসেম্বরে তারা ফিরে আসবে, আমিও চাই তারা ডিসেম্বরে ফিরে আসুক। আমাদের ভাই সন্তানদের হত্যা করে পুড়িয়ে মেরেছে এই নিষিদ্ধ দল। আপনাদের জন্য ঝাধা হাতে প্রস্তুত রয়েছে। আপনারা রাজনীতি কারণে দেউলিয়া হয়ে গেছেন, এতগুলো অন্যায় করে ক্ষমা না চেয়ে ফিরতে চান। রাজপথে কখনো মাস্ক পড়ে মিছিল করি নাই, আপনাদের যদি সাহস থাকে স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে গণতান্ত্রিকভাবে মোকাবেল করেন। ইনশাআল্লাহ আপনাদের জন্য আমাদের মা বোনেরা ঝাড়ু হাতে নিয়ে দাড়িয়ে রয়েছে।

গত শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকালে নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির উদ্যোগে বন্দর নবীগঞ্জ থেকে শুরু হওয়া বিক্ষোভ মিছিলটি বন্দর সিরাজদৌলা ক্লাব এর সামনে এসে সমাপ্ত হয়। মিছিল শেষে নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ও পাঁচ আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট আবুল কালামের রাজনৈতিক সচিব আবুল কাউছার আশা তার বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

এসময় মিছিল ও সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য ও মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট আবুল কালাম।

এছাড়াও মিছিল সমাবেশে নারায়ণগঞ্জ মহানগর ও বন্দর থানা উপজেলার বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশে নতুন সরকার গঠন

বাংলাদেশ বার্তা প্রতিদিন ডেক্স : প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:২০ অপরাহ্ন
তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশে নতুন সরকার গঠন

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":[],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{"border":1,"square_fit":2,"transform":1},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":true,"containsFTESticker":false}

বাংলাদেশে তারেক রহমানের নেতৃত্বে শপথ নিল বিএনপির নতুন সরকার। ২৪ এর ফ্যাসিস্ট বিরোধী আন্দোলন সহ বাংলার রাজপথে বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রাম করে জনগনের অধিকার প্রতিষ্ঠা লক্ষ্যে দীর্ঘ দুই দশক পর বিএনপি আবার রাষ্ট্রক্ষমতায় ফিরলো।

চব্বিশের গন-অভ্যুত্থানের পর নতুন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রায় দেশের একাদশ প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

এরই মধ্য দিয়ে দুই দশক পর আবার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নিল বিএনপি। আর তিন দশক পর বাংলাদেশ পেলো নতুন উদীয়মান একজন রাজনীতিবিদকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে।

এবার সেই আগের প্রথা ভেঙে বঙ্গভবনের বদলে এবারের শপথ অনুষ্ঠান হয় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায়।

মঙ্গলবার বিকাল ৪টায় জাতীয় সংগীত এবং তারপর কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে শপথ অনুষ্ঠান শুরু হয়।

এরপর প্রধানমন্ত্রী পদে তারেক রহমানের নাম ঘোষণা করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি।

তারেক রহমান নিয়ম অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছ থেকে প্রথমে সরকার প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালনের এবং তারপর গোপনীয়তার শপথ নেন এরপর সব শেষে তিনি শপথের নথিতে স্বাক্ষর করেন।

নতুন প্রধানমন্ত্রীকে আনুষ্ঠানিক অভিনন্দন জানানোর পর মন্ত্রিপরিষদে জায়গা পাওয়া নেতাদের নাম ঘোষণা করা হয় এবং শপথ গ্রহণের জন্য আহ্বান জানানো হয়। এরপর নতুন মন্ত্রীদের পর্যায়ক্রমে শপথ এবং গোপনীয়তার শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। সবশেষে প্রতিমন্ত্রীদের নাম ঘোষণা করে তাদেরকে শপথগ্রহণের জন্য আহ্বান জানিয়ে মঞ্চে ডাকেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

রাষ্ট্র পরিচালনায় তারেক রহমানের সঙ্গী হচ্ছেন ২৫ জন মন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের পর তারেক তার নতুন সরকার সাজিয়েছেন ৪০ জন নতুন মুখ নিয়ে। তাদের মধ্যে বিএনপির জোটের শরিক দুই নেতাও রয়েছেন। অনেকেই প্রথমবার এমপি হয়েই সরকার পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছেন। তারেক রহমান নিজেও এবারই প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

তারেক রহমানের মন্ত্রিসভার বড় চমক খলিলুর রহমান,তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার ‘জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা এবং রোহিঙ্গা সমস্যা বিষয়ক হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

পররাষ্ট্র ক্যাডারের সাবেক কর্মকর্তা খলিল এমপি না হলেও দায়িত্ব পালন করবেন টেকনোক্র্যাট হিসেবে। তিনি পেয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব। এছাড়াও টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন কুমিল্লা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ ইয়াছিন।

বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ক্রীড়া সম্পাদক ও ঢাকা উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক সাবেক ফুটবলার মো. আমিনুল হকও টেকনোক্র্যাট প্রতিমন্ত্রী হিসেবে সরকারে জায়গা পেয়েছেন।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৬ আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেন আমিনুল। তবে তিনি জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আবদুল বাতেনের কাছে হেরে যান। আমিনুলকে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে।

বিএনপির শরিক দলের নেতাদের মধ্যে নির্বাচনে জয়ী গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর, এনডিএম চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজকে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান বাংলাদেশে সরকার পরিচালনার দায়িত্বে এলেন।

আজকের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে তারেক রহমানের স্ত্রী জুবাইদা রহমান এবং তাদের মেয়ে জাইমা রহমান সহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে এসেছিলেন তার মেয়ে দীনা আফরোজকে সঙ্গে নিয়ে। উপদেষ্টাদের মধ্যে আসিফ নজরুল, সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, চৌধুরী রফিকুল আববার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও শপথ অনুষ্ঠানে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জু, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী দাশো শেরিং তোবগে, ভারতীয় লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা, পাকিস্তানের পরিকল্পনামন্ত্রী আহসান ইকবাল, শ্রীলঙ্কার স্বাস্থ্য ও গণমাধ্যম বিষয়ক মন্ত্রী নালিন্দা জয়াসিতা, নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বালা নন্দ শর্মাসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন, সুপ্রিম কোর্টের বিচারক, তিন বাহিনীর প্রধান, বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকসহ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তারা শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

বন্দরে ৫ শ্রেণীর ছাত্রী আলিফা হত্যার প্রধান আসামি কুওা ফয়সাল আটক, আদালতে হত্যার দায় স্বীকার

বাংলাদেশ বার্তা প্রতিদিন ডেক্স প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৯:৪৭ অপরাহ্ন
বন্দরে ৫ শ্রেণীর ছাত্রী আলিফা হত্যার প্রধান আসামি কুওা ফয়সাল আটক, আদালতে হত্যার দায় স্বীকার

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{"transform":2,"square_fit":2},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":true,"containsFTESticker":false}

নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর থানাধীন দড়ি সোনাকান্দা এলাকায় ৫ শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রীকে অপহরণের পর ধর্ষণের চেষ্টা চালায় নরপশুরা। পরে শিশুটি হাত থেকে বাঁচতে চিৎকার করলে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয় বলে জানিয়েছে বন্দর থানা পুলিশ।

এর আগে মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) রাতে ও বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) দুপুরে পৃথক অভিযানে এ ঘটনায় জড়িত তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করার পর এই তথ্য জানান বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মুক্তার আশরাফ উদ্দিন।

র‍্যাব ও পিবিআই’র সহযোগিতা ও তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত এই তিনজনকে বন্দর থানা পুলিশ গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তার হওয়া ৩ আসামিরা হলেন, নাসিক বন্দর ২০ নং ওয়ার্ড দড়ি সোনাকান্দা এলাকার মানিক চাঁন মিয়ার ছেলে ফয়সাল ওরফে বাদশা (২৯), মৃত, আহসান মিয়ার ছেলে ইসমাঈল (৪০) এবং জামাল মিয়ার ছেলে ইমন (২৫)।

তারা তিনজনই নিহত আলিফার বাড়ির পাশের প্রতিবেশী। আটক হওয়া ফয়সাল বুধবার দুপুরে জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম ইয়াসির আরাফাতের আদালতে হত্যা জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন।

আসামির জবানবন্দি ও তদন্তে পাওয়া তথ্যের বরাতে ওসি গোলাম মুক্তার আশরাফ গণমাধ্যমকে জানান, বাড়ির সামনের রাস্তা থেকে শিশুটিকে অপহরণ করা হয়। তাকে একটি ঘরে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালায় আসামিরা। শিশুটি তখন চিৎকার করলে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়।

“গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা তিনজনই মাদকাসক্ত”। তারা সরাসরি হত্যাকাণ্ডের ঘটনার সঙ্গে যুক্ত”, যোগ করেন এ পুলিশ কর্মকর্তা।

এদিকে, বন্দর থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ এর নির্দেশনায় আলিফা হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই ইদ্রিস ও সঙ্গীয় ফোর্স ফয়সাল ওরফে কুত্তা ফয়সালকে গ্রেপ্তার করে।

কুত্তা ফয়সালের গ্রেফতার এর খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে বুধবার সকালে তার বাড়িতে নিহতের স্বজন ও ক্ষুব্দ এলাকাবাসী ভাংচুর চালায় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

কুত্তা ফয়সাল এর আগে ৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট নিয়ে সহযোগী সহ ২০২৩ সালে বন্দর থানা পুলিশে হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন। যা বন্দর থানার মাদক আইনে দায়ের করা মামলা নাম্বার – ১৪(২)২৩ ইং।

থানা সূত্রে জানা যায়, রোববার বিকেল আনুমানিক চারটার দিকে বাসার সামনের রাস্তা থেকে নিখোঁজ হয় ১৩ বছর বয়সী মোসা. আলিফা। পরদিন সকালে প্রতিবেশীর বাসার সামনে থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী আলিফা একই এলাকার ব্যাটারিচালিত রিকশা চালক মো. আলীর কন্যা। তাদের গ্রামের বাড়ি মুন্সিগঞ্জ সদরের ধলাগাঁওতে।

লাশ উদ্ধারের দিন রাতে বন্দর থানায় অপহরণের পর হত্যার অভিযোগে অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন নিহতের মা নাসিমা।